সংসদ নির্বাচনে শুধু রাজনৈতিক দল নয়, রাজনৈতিক দল সমর্থিত প্রশাসনই মূল কারচুপি করে থাকে। তাই সেনাবাহিনীকে শুধু ভোটকেন্দ্রে শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নয়, ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে নির্বাচনী মাঠে রাখতে হবে। তাহলেই কেবল ভোট কারচুপি ও সহিংসতা প্রতিরোধ সম্ভব। নির্বাচন নিয়ে জনগণের আস্থাও বাড়বে। নির্বাচন সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরাপদ হবে। দেশ স্থিতিশীল থাকবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে ‘নির্বাচনে সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিতকরণে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা: সম্ভাবনা ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন এই সেমিনারের আয়োজন করে।
সেমিনারে প্রধান বক্তা ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. রোকন উদ্দিন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানিরা যে খুন ও অত্যাচার করেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার একই অপরাধ করেছে। তারা জাল ভোট, ভোটকেন্দ্র দখলের সংস্কৃতি তৈরি করেছে। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিতে হবে। পক্ষপাতিত্ব যেন না হয়, সেনাবাহিনীকে সেটিও দেখতে হবে। তিনি বলেন, থানা থেকে লুট অস্ত্র ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগের অবৈধ অস্ত্র এখনও ছড়িয়ে আছে, যা উদ্ধার না হলে নির্বাচনের আগে সহিংসতা বাড়বে।
সেমিনারে লিখিত বক্তব্য দেন এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি লেফটেন্যান্ট (অব.) সাইফুল্লাহ খান। সঞ্চালনা করেন অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি মুশফিকুর রহমান।
Bekar Barta