সারজিস আলম সংবাদকর্মীদের বলেন, আমাদের ভাইয়েরা শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারিদের বিচারের দাবিতে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি শেষ করেছিল। সেখানে সেনাবাহিনীর সদস্যরা, কার নির্দেশে হামলা করেছে সেটা বের করতে হবে। একটি শৃঙ্খলা বাহিনী এমন কাজ কেন করলো, দোষীদের বের করতে হবে। তা না হলে ছাত্র জনতা চুপ থাকবে না।
আহতদের হাসপাতালে দেখতে যান এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। ছবি: ইনডিপেনডেন্ট
পঞ্চগড়ে শহীদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অরোধে লাঠিচার্জের ঘটনায় আহতদের হাসপাতালে দেখতে গিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
রোববার রাতে জেলা হাসপাতালে আহদের দেখতে যান তিনি। একই সময় জেলা প্রশাসক কাজী সায়েমুজ্জামান, পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম, সিভিল সার্জনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারাও সেখানে যান। পরে জেলা জামায়াতের আমির ইকবাল হোসাইনসহ অন্য রাজনৈতিক নেতারাও আহতদের দেখতে যান। তারা আহদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং ঘটনার বিস্তারিত শোনেন।
সারজিস আলম সংবাদকর্মীদের বলেন, আমাদের ভাইয়েরা শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারিদের বিচারের দাবিতে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি শেষ করেছিল। সেখানে সেনাবাহিনীর সদস্যরা, কার নির্দেশে হামলা করেছে সেটা বের করতে হবে। একটি শৃঙ্খলা বাহিনী এমন কাজ কেন করলো, দোষীদের বের করতে হবে। তা না হলে ছাত্র জনতা চুপ থাকবে না।
জেলা প্রশাসক কাজী সায়েমুজ্জামান বলেন, আমরা আর্মির কাছে শুনেছি, তারা জনদুর্ভোগ কমাতে সড়ক থেকে তাদের সরিয়ে দিতে গিয়ে কেউ হয়তো আঘাত পেয়েছে। আর ছাত্ররা বলেছেন, লাঠিচার্জে তারা আহত হয়েছেন। আমরা সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলব। বিষয়টি নিয়ে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ঘটনার প্রতিবাদে রোববার রাতে শিক্ষার্থীদের ডাকে আবারও জেলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে ছাত্র জনতা। এতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা–কর্মী ছাড়াও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতা–কর্মীরা অংশ নেন। পরে তারা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সামনে বিক্ষোভ করেন।
এর আগে বিকেলে শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ চলাকালীন লাঠিচার্জে আহত ২৩ জনকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
Bekar Barta