ঢাকা মহানগর উত্তরের স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুসাব্বিরকে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এতে ৪-৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) সকালে তেজগাঁও থানায় হত্যা মামলাটি করেন নিহত মুসাব্বিরের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম।
তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন সুরাইয়া বেগম।
এর আগে বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত সোয়া ৮টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে কারওয়ান বাজারের স্টার কাবাবের পেছনের গলিতে আজিজুর রহমান মুসাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
সিসিটিভিতে হত্যাকাণ্ডের পুরো দৃশ্যে দেখা যায়, স্টার কাবাবের পেছনের গলিতে বস্তা নিয়ে বসে ছিল দুই দুর্বৃত্ত, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুসাব্বিরকে দেখামাত্র বস্তা থেকে পিস্তল বের করে পেছন থেকে গুলি করে তারা। এতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। আবার উঠে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন মুসাব্বির। এ সময় মুসাব্বিরের ফোন পড়ে যায়। শুটাররা সেই ফোন নিয়েই পালিয়ে যায়।
এ ছাড়া মুসাব্বিরের সঙ্গে থাকা আবু সুফিয়ান মাসুদ নামে আরও একজন গুলিবিদ্ধ হন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ইবনে মিজান জানান, অন্ধকার গলিতে লুকিয়ে থাকা দুর্বৃত্তরা মুসাব্বিরকে দেখেই বস্তা থেকে পিস্তল বের করে পেছন থেকে গুলি করে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে পান্থপথের বিআরবি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে মুসাব্বিরের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আর আহত আবু সুফিয়ান মাসুদকে ঢামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে জানিয়ে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করছে।’
Bekar Barta